মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি ৩০ জুন ২০২৬ ১২:২২ পি.এম
স্ট্রবেরি, মাল্টা, ড্রাগনের পর এবার রাজশাহীতে হচ্ছে আঙ্গুরের বাণিজ্যিক চাষ ।
তরুণ কৃষকরা আগ্রহী হচ্ছেন জনপ্রিয় এ ফল চাষে। রাজশাহীর আবহাওয়ায় ফল সুমিষ্ট হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে আঙ্গুর বাগানের পরিধি। কৃষকের ক্ষতি কমিয়ে বাণিজ্যিক সাফল্য আনতে সহায়তা করছে কৃষি সম্প্রসারণ অদিধপ্তর।
সবুজের সতেজতার মাঝে থোকায় থোকায় ঝুলছে আঙ্গুর। কোনটা খয়েরি, কোনটা সবুজ আবার কোনটা কালচে রঙের। প্রতিটি থোকাই টসটসে রসে ভরপুর। এমন নজরকাড়া দৃশ্য রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হাসনিপুর গ্রামের তরুণ কৃষক ইমাম হোসেনের আঙুর বাগানের। ৩ বিঘার বাগানে রয়েছে বাইকুনুর, অ্যাপোলো, দাসুনিয়া, অস্ট্রেলিয়ান কিং-সহ ৮ জাতের আঙ্গুর।
কৃষক ও প্রকৌশলী ইমাম হোসেন সাগর বলেন, ‘যশোরে দেখলাম একটা বাগানে মোটামুটি তিন বিঘা জমিতে ভালো পরিমাণ আঙুর। এত পরিমাণ আঙুর আমি এটা আগে দেখি নাই। ওই জায়গা থেকে আমার আব্বু এবং আমি, আমার ছোট ভাই—সবাই মিলে এই জায়গাটা আমরা তৈরি করেছি। এখানে আমরা প্রায় ৫ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করেছি এই দুই বিঘা বাগানে।’
চলতি মৌসুমে বাগানের ৩৬০টি গাছ থেকে এই কৃষক আঙ্গুর পেয়েছেন ৭ হাজার ২১ কেজি। যার বাজার মূল্য ২১ লাখ টাকা। তার মতো জেলার তিন উপজেলায় ৩০ জন কৃষক ৩ হেক্টর জমিতে আঙ্গুরের চাষ করছেন। তাদের সাফল্যে বাগান করার স্বপ্ন বুনছেন জেলার অন্য কৃষকরাও। বাগান দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থী ও নতুন উদ্যোক্তারা।
একজন নতুন চাষি বলেন, ‘আমাদের মাটিতে হবে কি হবে না তার জন্য পরীক্ষামূলক দু-তিনটা চারা নিয়ে যাব। পরীক্ষা করার পর যদি দেখি হয়, তাহলে আমরাও করার চিন্তাভাবনা করছি।’
আঙুর উৎপাদনের পাশপাশি চারাও উৎপন্ন হচ্ছে এসব বাগান থেকে। গেল ১ বছরে গাছের কাটিং বা ছেটেফেলা ডাল থেকে তৈরি হয়েছে শত শত চারা। প্রতিপিস চারা ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এতে চারা থেকেই বছরে আয় অন্তত ১৫ লাখ টাকা।
একজন বলেন, ‘চারা এখন বর্তমান আমাদের অনেকগুলো বিক্রি করেছি, আরও অর্ডারও আছে। অল্পদিনের মধ্যেই আমাদের চারা প্রায় শেষ হয়ে যাবে।’
এর আগে রাজশাহীর চাষিরা চেষ্টা করেও আঙ্গুর চাষে ভালো ফলাফল পাননি। তবে এবছর আবহাওয়ার পরিবর্তন ও পলিশেড হাউসে সাফল্য আসায় কৃষকের আগ্রহ বেড়েছে। সফল বাণিজ্যিক উৎপাদনে বহুমূখী সহায়তা বাড়িয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরও।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, ‘রাজশাহী জেলায় বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ৩ হেক্টর জমিতে আঙুরের চাষ হচ্ছে। তো আমাদের ওই ৩ হেক্টর জমি আঙুরের চাষের সঙ্গে জড়িত কৃষক সংখ্যা প্রায় ৩০ জনের মতো। আবাদটা যদি বাড়াতে পারি এবং লোকাল মার্কেটটা যদি আমরা ধরতে পারি, তাহলে দেখা যায় বাইরের থেকে আমদানি নির্ভরতা কমে যাবে।’
আঙ্গুর গাছের জীবনকাল অন্তত ৩০ বছর। এর পরিচর্যা ব্যায়ের তুলনায় লাভের পরিমাণ অনেক বেশি। তাই রাজশাহীতে আঙুর চাষ আরও বাড়বে বলে মনে করেন উদ্যোক্তারা।
২ দিনের আল্টিমেটাম ও হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় সৌদি প্রবাসী শরিফুল ইসলামের পরিবার
কবিতা
ছাত্রত্ব শেষ হলেও হলে থাকছেন ভিপিসহ জাকসুর তিন নেতা
হল প্রাধ্যক্ষকে উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ঢাবিতে সংঘর্ষ : ভিপি-জিএসসহ আহত ৬
খেজুর ও তালের বিকল্প হিসেবে গোলপাতার গুড়: উপকূলীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার হাতছানি
কুমিল্লা ধর্মসাগর পাড় মঞ্চের প্রাণবন্ত চা-চক্র ও বর্ষার খিচুড়ি আড্ডা
দিনাজপুর সীমান্তে নারীসহ ৪ বাংলাদেশিকে শূন্যরেখায় আটকে দিল বিজিবি, বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ঠাকুরগাঁয়ে
শালিখায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
বহুগুণে গুণান্বিত ঝালকাঠিতে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক আনিছুর রহমান
বর্ণাঢ্য আয়োজনে গোপালগঞ্জে এনটিভির ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
বনশ্রী সোসাইটি নির্বাচনে রেহানা পারভীন যুগ্ম মহিলা ও শিশু সম্পাদিকা পদে বিজয়ী
রাজশাহীতে হচ্ছে আঙ্গুরের বাণিজ্যিক চাষ
জেলা পরিষদ প্রশাসকে ফুলেল শুভেচ্ছা