মোঃ সিমান্ত তালুকদার সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:২৯ এ.এম
সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে শুরু হচ্ছে পিঠা উৎসব-২০২৬
সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে ঐতিহ্যবাহী শীতকালীন আনন্দঘন আয়োজন “পিঠা উৎসব-২০২৬” শুরু হতে যাচ্ছে আগামীকাল থেকে। কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।
উৎসবকে কেন্দ্র করে কলেজ প্রাঙ্গনে চলছে ব্যস্ত সময়—দিনের পাশাপাশি রাতেও স্টল সাজানো ও আয়োজনের কাজ চলমান রয়েছে।
পিঠা উৎসবকে আরও আকর্ষণীয় করতে কলেজের বিভিন্ন বিভাগ নিজ নিজ স্টল নিয়ে অংশগ্রহণ করছে। এ আয়োজন সম্পর্কে প্রস্তুতিমূলক দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: মহীদুল হাসান স্যারের কাছ থেকে।
🔸 বিভাগভিত্তিক স্টল ও আমন্ত্রণ
এবারের পিঠা উৎসবে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে—
গণিত বিভাগের “পৌষালী পিঠাঘর” (স্টল নং-০৬)
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের “কোয়ান্টাম পিঠাঘর”
রসায়ন বিভাগের “চন্দ্রপুলি”
দর্শন বিভাগের “নকশি পিঠার দেশ”
সব বিভাগের পক্ষ থেকেই শিক্ষার্থী ও অতিথিদের জন্য রয়েছে সাদর আমন্ত্রণ।
কলেজ প্রশাসন ও আয়োজকরা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে উৎসবটি প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে এবং এটি শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দেবে।
স্থান: সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ
সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে শুরু হচ্ছে পিঠা উৎসব-২০২৬
সিরাজগঞ্জের উন্নয়নই আমাদের একমাত্র দাবি
সিরাজগঞ্জ কল্যাণ ট্রাস্ট শিক্ষা বৃত্তি–২০২৬ (আবেদন আহ্বান)
চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন জসীম উদ্দীনঃ মাগুরা প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী উপমা দত্ত (২৩) এর শেষকৃত্য ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে সম্পন্ন হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১১টায় মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া মহাশ্মশানে তার দাহ সম্পন্ন হয়। গত ২৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল কক্ষ থেকে উপমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ। জানা গেছে, ঘটনার সময় তিনি কক্ষটিতে একাই ছিলেন। আজ (৩১ জানুয়ারী) শনিবার ভোর ৫টায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ নিজ গ্রামে পৌঁছালে সেখানে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে বাবা সন্দিপ কুমার দত্ত (শিক্ষক, সর্বসাংদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়) ও স্বজনরা দিশেহারা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উপমা আত্মহত্যা করেছেন। তবে এই চরম সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো 'প্রেমঘটিত জটিলতা' নাকি অন্য কোনো মানসিক চাপ কাজ করছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রতিবেশীরা তাকে মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের মেয়ে হিসেবেই জানতেন। তাদের মতে, এমন হাসি-খুশি ও ভালো একটি মেয়ে কেন এই পথ বেছে নিল, তা তারা কল্পনাও করতে পারছেন না। উপমার মৃত্যুতে কেবল তার পরিবার নয়, পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনার নেপথ্যের কারণ খতিয়ে দেখছে। একটি সম্ভাবনাময় প্রাণের এভাবে ঝরে পড়া আবারও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের বিষয়টি সামনে নিয়ে এলো।