এডভোকেট তাপস ১২ আগষ্ট ২০২৬ ০৫:৩৮ এ.এম
গণমাধ্যমকর্মী থেকে আইনজীবী—চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সাফল্যের পথে এক সংগ্রামী মানুষের গল্প
নিজস্ব প্রতিবেদক।।
পৃথিবীতে কিছু মানুষ জন্মগ্রহণ করেন, যাদের পরিচয়ের জন্য খুব বেশি শব্দের প্রয়োজন হয় না। কর্মগুণ, মেধা, সততা ও মানুষের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্কই একসময় তাদের পরিচয়কে আলাদা করে তোলে। তেমনই একজন মানুষ অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার। কুমিল্লা আদালত অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে তিনি একটি পরিচিত মুখ। আইন পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মী হিসেবেও তিনি অর্জন করেছেন পরিচিতি ও সুনাম। জীবনের নানা প্রতিকূলতা, প্রিয়জন হারানোর বেদনা এবং দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পেরিয়ে আজ তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী।
অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের জীবন যেন একাধারে সংগ্রাম, স্বপ্ন, আত্মবিশ্বাস ও সাফল্যের গল্প। ছোটবেলা থেকেই ছিলেন মেধাবী, চঞ্চল ও প্রাণবন্ত স্বভাবের। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও ছিল তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী হওয়ার গৌরবও অর্জন করেছেন বহুবার। শৈশব থেকেই তাঁর মধ্যে ছিল নতুন কিছু করার আকাঙ্ক্ষা এবং নিজেকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে গড়ে তোলার প্রবল ইচ্ছাশক্তি।
১৯৮০ সালের ৫ এপ্রিল পিতা নিখিল চন্দ্র সরকার ও মাতা যোগমায়া সরকারের ঘর আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেন তাপস চন্দ্র সরকার। চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার লামচরী উকিল বাড়ী তাঁর পৈত্রিক নিবাস। তাঁর শৈশব ও বেড়ে ওঠার সময়টা ছিল নানা প্রতিকূলতায় ভরা। ছোট বয়সেই মাতৃবিয়োগের শোক তাঁকে স্পর্শ করে। মায়ের স্নেহ-ছায়া হারানোর বেদনা বুকে নিয়েই তাঁকে জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
তবে প্রতিকূলতা তাঁকে থামাতে পারেনি। বরং জীবনের প্রতিটি ধাক্কা তাঁকে আরও শক্ত, আত্মপ্রত্যয়ী ও দায়িত্বশীল করে তুলেছে। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি নিজের জীবনকে গড়ে তুলেছেন। আজও তাঁর জীবনের গল্পে বাবা-মায়ের স্মৃতি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।
বিশেষ করে তাঁর বাবা নিখিল চন্দ্র সরকারের একটি স্বপ্ন ছিল—ছেলে একদিন আইনজীবী হবে। সেই স্বপ্নকে হৃদয়ে ধারণ করেই তাপস চন্দ্র সরকার ধীরে ধীরে এগিয়ে গেছেন তাঁর কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস, ছেলেকে আইনজীবীর পোশাকে আদালতে দাঁড়িয়ে দেখতে পারেননি তাঁর বাবা।
নিখিল চন্দ্র সরকার নিজেও কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির একজন সিনিয়র সদস্য ছিলেন। আইন অঙ্গনের সঙ্গে তাঁর ছিল দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা। ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি তিনি ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন। তাঁর জীবদ্দশায় হয়তো সবচেয়ে বড় আনন্দের মুহূর্ত হতো ছেলেকে আইনজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে দেখা। কিন্তু সেই সৌভাগ্য তাঁর হয়নি।
অন্যদিকে, মা যোগমায়া সরকারও ছেলের সাফল্যের দিনগুলো দেখে যেতে পারেননি। ফলে তাপস চন্দ্র সরকারের আইনজীবী হয়ে ওঠার সাফল্যের পেছনে যেমন রয়েছে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়, তেমনি রয়েছে প্রিয় বাবা-মায়ের অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণের এক আবেগঘন অধ্যায়।
শিক্ষা ও কর্মজীবনের পথচলা:
শিক্ষাজীবনেও তাপস চন্দ্র সরকার ছিলেন মনোযোগী ও মেধাবী। ১৯৯৫ সালে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। এরপর ১৯৯৭ সালে কুমিল্লা অজিত গুহ মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। ২০০০ সালে নিমসার জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কুমিল্লা আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে আইন পেশায় প্রবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন।
তবে আইন পেশায় আসার আগে তাঁর কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল সাংবাদিকতা। স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহ, মানুষের কথা শোনা, সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরা এবং ঘটনার গভীরে গিয়ে সত্য অনুসন্ধানের অভিজ্ঞতা পরবর্তীতে তাঁর আইন পেশাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে কাজ করার সময়ই মানুষের অধিকার, সামাজিক সমস্যা এবং ন্যায়বিচারের বিষয়গুলো তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। সেই আগ্রহ থেকেই ধীরে ধীরে আইন পেশার প্রতি তাঁর ঝোঁক তৈরি হয়। আর বাবার অনুপ্রেরণা তাঁকে সেই পথেই এগিয়ে যেতে সাহস জোগায়।
আইন পেশায় অভিষেক:
দীর্ঘ প্রস্তুতি ও অধ্যবসায়ের পর ২০১৬ সালের ১৪ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে সনদপ্রাপ্ত হন অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার। একই বছরের ৯ জুন তিনি কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে যোগদান করেন।
আইন পেশার শুরুতেই তিনি অভিজ্ঞ ও সিনিয়র আইনজীবীদের সান্নিধ্যে কাজ করার সুযোগ পান। কুমিল্লা বারের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল আমিন ভূইয়ার সেরেস্তায় জুনিয়র হিসেবে কাজ করে দেওয়ানি মামলার বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মামলা পরিচালনার খুঁটিনাটি, আইনগত নথিপত্র প্রস্তুত, যুক্তি উপস্থাপন এবং আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে হাতে-কলমে শিক্ষা লাভ করেন তিনি।
পরবর্তীতে কুমিল্লার সাবেক জেলা পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান লিটনের সেরেস্তায় জুনিয়র হিসেবে কাজ করেন। সেখানে তিনি ফৌজদারি মামলার বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পান। অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে দেওয়ানি ও ফৌজদারি—উভয় ধরনের মামলায় নিজের দক্ষতা ও জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করেন।
আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে এই সময়টিকে তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ, একজন আইনজীবীর শুধু একাডেমিক জ্ঞানই যথেষ্ট নয়; আদালতের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সিনিয়রদের কাছ থেকে শেখা এবং দীর্ঘদিনের পরিশ্রম একজন আইনজীবীকে পরিণত করে। তাপস চন্দ্র সরকারও সেই কঠিন পথ পাড়ি দিয়েই নিজেকে গড়ে তুলেছেন।
বাবার স্বপ্ন পূরণ, কিন্তু বাবাকে দেখানো হলো না:
অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের জীবনের সবচেয়ে আবেগঘন অধ্যায় সম্ভবত তাঁর বাবার সঙ্গে সম্পর্কিত। বাবার স্বপ্ন ছিল ছেলে আইনজীবী হবে। ছেলে সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদ পেয়েছেন, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে যোগ দিয়েছেন এবং ধীরে ধীরে আদালত অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।
কিন্তু সেই সাফল্যের মুহূর্তে পাশে ছিলেন না বাবা।
ছেলে যখন আইনজীবীর কালো গাউন পরে আদালতে দাঁড়িয়েছেন, তখন সেই দৃশ্য দেখার মতো চোখ ছিল না বাবার। যে বাবা একদিন ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই বাবা ছেলের সফলতার সংবাদটুকু নিজের চোখে দেখে যেতে পারেননি।
এই অপূর্ণতার বেদনা তাপস চন্দ্র সরকারের জীবনে আজও গভীর। তবুও তিনি মনে করেন, তাঁর প্রতিটি সাফল্যের সঙ্গে বাবা-মায়ের আশীর্বাদ ও স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তাঁদের স্বপ্ন পূরণ করাই যেন তাঁর জীবনের অন্যতম বড় অর্জন।
শৈশবের চঞ্চলতা থেকে পরিণত জীবনের দায়িত্ববোধ:
ছোটবেলায় খেলাধুলা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিজয়ের স্বাদ পাওয়া তাপস চন্দ্র সরকারের সেই চঞ্চল ও প্রতিযোগিতাপ্রিয় মানসিকতা পরবর্তী জীবনেও তাঁকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। প্রতিকূলতাকে ভয় না পাওয়া, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং নিজের লক্ষ্যে অটুট থাকার মানসিকতা তাঁর চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
শৈশবে মায়ের মৃত্যু, পরবর্তীতে বাবাকে হারানো, জীবনের নানা প্রতিকূলতা—সবকিছুর মধ্যেও তিনি নিজের পথ থেকে সরে যাননি। বরং প্রতিটি কষ্টকে শক্তিতে রূপান্তর করে সামনে এগিয়ে গেছেন।
কুমিল্লার কালিয়াজুরীতে পারিবারিক জীবন:
পৈত্রিক নিবাস চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার লামচরী উকিল বাড়ী হলেও দীর্ঘদিন ধরে পরিবার-পরিজন নিয়ে কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরীতে বসবাস করছেন অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। তাঁর জীবনসঙ্গিনী রিতা রাণী মজুমদারও একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিবারের সুখ-দুঃখে পাশে রয়েছেন। কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ডুমুরিয়া মজুমদার বাড়ী তাঁর শ্বশুরালয়।
পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি পরিবারকে সময় দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা এবং তাদের ভালো মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্নও রয়েছে তাঁর।
সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গেও সম্পৃক্ততা:
আইনজীবী ও সাবেক গণমাধ্যমকর্মী পরিচয়ের বাইরে অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের সামাজিক দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।
তাঁর পরিচিতজনদের মতে, মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা এবং সবার সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার গুণ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। আদালত অঙ্গনে যেমন তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট, তেমনি সামাজিক পরিসরেও তাঁর রয়েছে সক্রিয় উপস্থিতি।
সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প:
অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের জীবনকে শুধু একজন আইনজীবীর পেশাগত সাফল্যের গল্প বললে পুরোটা বলা হবে না। এটি একজন মানুষের প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার গল্প। এটি একজন সন্তানের গল্প, যে বাবা-মায়ের অপূর্ণ স্বপ্নকে নিজের জীবনের লক্ষ্য বানিয়েছিল। এটি একজন গণমাধ্যমকর্মীর গল্প, যিনি মানুষের কথা বলতে বলতে একদিন মানুষের অধিকার রক্ষার পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।
শৈশবে মাকে হারিয়েছেন, পরিণত বয়সে হারিয়েছেন বাবাকে। জীবনের অনেক কঠিন সময় একাই পার করেছেন। তবুও থেমে যাননি। শিক্ষাজীবন শেষ করেছেন, সাংবাদিকতা করেছেন, আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন, সিনিয়র আইনজীবীদের কাছ থেকে হাতে-কলমে শিক্ষা নিয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদ অর্জন করে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।
আজ কুমিল্লা আদালত অঙ্গনে অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার একটি পরিচিত নাম। তাঁর পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আইনজীবী, সাবেক গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত একজন মানুষ এবং সর্বোপরি সংগ্রাম করে উঠে আসা এক সন্তানের গল্প।
জীবনের এই দীর্ঘ পথচলায় হয়তো অনেক প্রাপ্তি এসেছে, কিন্তু কোথাও একটা শূন্যতা থেকেই গেছে—বাবা-মা নেই। তাঁরা নেই ছেলের সাফল্য দেখার জন্য, নেই আদালতে দাঁড়িয়ে ছেলের জয় দেখার জন্য, নেই গর্ব করে বলার জন্য—“আমার ছেলে একজন আইনজীবী।”
তবুও একজন সন্তানের জীবনে এর চেয়ে বড় সান্ত্বনা আর কী হতে পারে—তিনি তাঁর বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছেন।
হয়তো ওপারের পৃথিবী থেকে বাবা-মা আজও দেখছেন তাঁদের সেই চঞ্চল, মেধাবী ছেলেটিকে—যে নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজ কুমিল্লা আদালত অঙ্গনে নিজের পরিচয় তৈরি করেছে।
অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের জীবন তাই কেবল সাফল্যের গল্প নয়; এটি স্বপ্ন, ভালোবাসা, বেদনা, সংগ্রাম ও স্বপ্নপূরণের এক আবেগঘন উপাখ্যান।
দিনাজপুর বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে চিহ্নিত জুয়ারি মতিন ও মনজুরুলের জরিমানা সহ কারাদন্ড.
নেত্রকোনায় ধারের টাকা ফেরত চাওয়ায় নাীরকে হত্যার হুমকি প্রধান শিক্ষকের, থানায় অভিযোগ
নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ ১১ জন গ্রেপ্তার
আদালতের রায়ে গোপালগঞ্জের "স্বর্ণা টাওয়ারের" দায়িত্ব পেলেন রিসিভার
বান্দরবানে পার্বত্য মন্ত্রীর ছবি এবং পরিচয় ব্যবহার করে টাকা দাবির অভিযোগ, থানায় সাধারণ (ডায়েরি)
বান্দরবানের রুমায় বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে নিখোঁজ ব্যক্তি মৃত্যুঞ্জয় কুমার মণ্ডল কে উদ্ধার, তদন্ত (অব্যাহত)
বাগেরহাটের শরণখোলায় নিখোঁজের তিন দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫
চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাংবাদিকের প্রশ্নে অভিযোগকারীকে ‘মেরে লাশ বানানোর’ হুমকি।
গোপালগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ নারী কারবারি আটক
নড়াইলের লোহাগড়া আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে হত্যা
ইভটিজিং প্রতিরোধে রায়গঞ্জে পুলিশের দিকনির্দেশনা
জলঢাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ ফ্যান চুরি, শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ
দুই মামলায় সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ গ্রেপ্তার
নড়াইলের নড়াগাতী থানা পুলিশের অভিযানে ত্রিশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার ১
নেত্রকোনায় পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের হাতে বাবা খুন
নেত্রকোনার মদনে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, সরকারি চাল ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার- ৯
দিনাজপুর বীরগঞ্জে প্রায় ২২ লক্ষ টাকা আত্মসাতের মামলায় ইটভাটা ম্যানেজার কারাগারে।
কুমিল্লায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা।। আসামির যাবজ্জীবন
জমি জালিয়াতি, বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ; পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
রায়গঞ্জে ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামি গ্রেফতার
আদালত থেকে লাফ দিয়ে পালালেন চুরি মামলার আসামি
গোপালগঞ্জে র্যাব পরিচয়ে বিকাশ কর্মীর থেকে দুই লাখ টাকা ছিনতাই অভিযোগ
গোপালগঞ্জে জেলা পুলিশের কীট প্যারেড অনুষ্ঠিত
নেত্রকোনায় পুকুর দখল করে নির্মিত অনুমোদনহীন অবৈধ দুইতলা ভবন উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু
জলঢাকা কাজিরহাট পন্ডিত পাড়ায় মাদক ও জুয়া বিরোধী আলোচনা সভা, চারা বিতরণ
রায়গঞ্জে ইয়াবাসহ ৪ যুবক আটক
রাজাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে চলছে ইউএনওর জিরো টলারেন্স অভিযান।
গোপালগঞ্জে অনলাইন জুয়ারি এজেন্ট সহ ৪ জন গ্রেফতার
গোপালগঞ্জে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলায় বিএনপি নেতা সোহেল আটক
রংপুরের চক্রবর্তী পরিবারের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল